সুনামগঞ্জের করচার হাওরের অনাবাদি জমির রবিশস্যের সমারোহ জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন
- আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে
সুনামগঞ্জের করচার হাওরের অনাবাদি একশত বিঘা জমিতে রবিশস্যের সমারোহ পরিদর্শনে আসনে জেলা প্রশাসক দিদারে আলম।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বড়ঘাট ও লালপুরের মধ্যবর্তী করচার হাওরের জমি পতিত থাকে। এবার একশত বিঘা অনাবাদি পতিত জমিতে রবি শষ্য চাষ করা হয়। এসব জমিতে গম, ভূট্টা, সরিষা, মিষ্টি আলু চাষা করা হয়েছে।
”সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় ও স্থানীয় কয়েকজন কৃষি উদ্যোক্তা এসব চাষ করেন।”
এসব পতিত জমিতে চাষকারী চাষিদের মধ্যে মো. নুরুল হক, মো. আব্দুল কুদ্দুছ, নজরুল ইসলাম, আবুল বরকত ও খালেদ মিয়া অন্যতম। তাদের সহযোগিতায় অন্য চাষিরাও এই বরিশস্যর চাষ করেন।
“শুক্রবার দুপুরে এই বিশাল রবিশস্যর মাঠ পরিদশর্নে আসেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।”
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব), বিজন কুমার সিংহ, কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নয়ন মিয়া, উপ-সহাকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নুরুল আমীন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সুহেল মাহমুদ, আলী-রাজা, সৈয়দ ইমরান হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সারোয়ার জাহান, সনি তালুকদার ও গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের ১নং সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যা জাহামানা বেগম প্রমুখ।
“শুক্রবার দুপুরে এই বিশাল রবিশস্যর মাঠ পরিদশর্নে আসেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।”
উল্লেখ্য গত ২০২২ সালের নভেম্বরের শেষদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এই পতিত জমিতে রবিশস্য আবাদের উদ্যোগ নেন। কৃষি উদ্যোক্তারা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এই বিশাল পতিত জমিতে রবি শষ্য চাষ করেন।
এই রবিশস্যর মাঠ দেখতে প্রতিদিন বিভিন্নস্থান থেকে লোকজন আসেন। এই রবিশস্যর আবাদ দেখে আগামীতে আরো স্থানীয় লোকজন আগ্রহ প্রকাশ করলে হাওরের কোথাও কোন অনাবাদি কিংবা পতিত জমি পতিত থাকবে না।
সকল অনাবাদি জমি একদিন সবুজের সমারোহ ও সরিষা ফুলের হলুদ গালিচার সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



























One thought on “সুনামগঞ্জের করচার হাওরের অনাবাদি জমির রবিশস্যের সমারোহ জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন ”